Header Ads

Header ADS

জাতিসংঘের মৌলিক তথ্য

 

মৌলিক তথ্য

  • প্রতিষ্ঠা: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ (বর্তমানে এই দিনটি জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালিত হয়)
  • সদর দপ্তর: নিউ ইয়র্ক সিটি, যুক্তরাষ্ট্র
  • বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র: ১৯৩টি (সর্বশেষ যোগ হয়েছে দক্ষিণ সুদান, ২০১১)
  • দাপ্তরিক ভাষা: ৬টি – আরবি, চীনা, ইংরেজি, ফরাসি, রুশ, স্প্যানিশ
  • বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস (পর্তুগাল), ২০১৭ সাল থেকে দায়িত্বে (২য় মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত)

জাতিসংঘের প্রধান ৬টি অঙ্গ

  1. সাধারণ পরিষদ (General Assembly) – সব সদস্যের সমান ভোট
  2. নিরাপত্তা পরিষদ (Security Council) – ১৫ সদস্য (৫ স্থায়ী: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স – ভেটো ক্ষমতা আছে)
  3. অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ECOSOC)
  4. অছি পরিষদ (Trusteeship Council) – বর্তমানে নিষ্ক্রিয়
  5. আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) – হেগ, নেদারল্যান্ডস
  6. সচিবালয় (Secretariat)

গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা ও কর্মসূচি

  • UNICEF (শিশু তহবিল)
  • WHO (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা)
  • UNESCO (শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি)
  • UNHCR (শরণার্থী বিষয়ক)
  • WFP (বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি)
  • UNDP (উন্নয়ন কর্মসূচি)
  • UN Women, UNEP, ILO ইত্যাদি

বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ

  • বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ: ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪
  • শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ বিশ্বে ১ নম্বর অবদানকারী দেশ (২০২৫ পর্যন্ত প্রায় ৭,০০০+ সৈন্য মোতায়েন)
  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে বাংলায় প্রথম ভাষণ দেন সাধারণ পরিষদে

গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা/মাইলফলক

  • ১৯৪৮: মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্র
  • ২০০০: মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলস (MDGs)
  • ২০১৫: টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) – ১৭টি গোল, ২০৩০ পর্যন্ত
  • ২০২৫: “Future Summit” অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে UN 2.0 ও নতুন শান্তি কাঠামো নিয়ে আলোচনা হয়

বর্তমান চ্যালেঞ্জ (২০২৫ পর্যন্ত)

  • নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো ক্ষমতার অপব্যবহার (ইউক্রেন, গাজা ইস্যুতে)
  • সংস্কারের দাবি (ভারত, জার্মানি, জাপান, ব্রাজিল – G4 নতুন স্থায়ী সদস্য চায়)
  • জলবায়ু পরিবর্তন, যুদ্ধ, দারিদ্র্য, অভিবাসন ইত্যাদি

জাতিসংঘের মূল উদ্দেশ্য: “বিশ্বশান্তি রক্ষা করা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা”।


সংস্থাপূর্ণনাম (বাংলা ও ইংরেজি)প্রতিষ্ঠাসদর দপ্তরবর্তমান প্রধান (২০২৫)মূল কাজ ও বাংলাদেশের সাথে সম্পর্
UNICEF




ইউনিসেফ – United Nations Children’s Fund১৯৪৬নিউ ইয়র্কCatherine Russell (যুক্তরাষ্ট্র)শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পুষ্টি, সুরক্ষা। বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় কর্মসূচি (টিকাদান, প্রাথমিক শিক্ষা, রোহিঙ্গা শিশু)
WHO


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা – World Health Organization১৯৪৮জেনেভা, সুইজারল্যান্ডTedros Adhanom Ghebreyesus (ইথিওপিয়া) – ২য় মেয়াদ চলছেস্বাস্থ্য নীতি, মহামারি নিয়ন্ত্রণ। কোভিড-১৯ ও ডেঙ্গুতে বাংলাদেশের বড় সহযোগী
UNESCO






ইউনেস্কো – United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization১৯৪৫প্যারিস, ফ্রান্সAudrey Azoulay (ফ্রান্স)শিক্ষা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য রক্ষা। সুন্দরবন, পাহাড়পুর, মসজিদ নগরী বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় UNESCO-র মাধ্যমে
UNHCR





জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা – United Nations High Commissioner for Refugees১৯৫০জেনেভাFilippo Grandi (ইতালি)শরণার্থী সুরক্ষা। কক্সবাজারে ১০ লাখ+ রোহিঙ্গা শরণার্থীর প্রধান দাতা ও সমন্বয়কারী
WFP


বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি – World Food Programme১৯৬১রোম, ইতালিCindy McCain (যুক্তরাষ্ট্র)খাদ্য সহায়তা। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাসিক খাবার সরবরাহ করে। ২০২০ নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছে
UNDP





জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি – United Nations Development Programme১৯৬৫নিউ ইয়র্কAchim Steiner (জার্মানি-ব্রাজিল)দারিদ্র্য হ্রাস, SDG বাস্তবায়ন। বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পার্টনার (LDC থেকে উত্তরণে সহায়তা)
UN
Women







জাতিসংঘ নারী সংস্থা – United Nations Entity for Gender Equality and the Empowerment of Women২০১০নিউ ইয়র্কSima Bahous (জর্ডান)নারীর ক্ষমতায়ন, লিঙ্গ সমতা। বাংলাদেশে গার্মেন্টস শ্রমিক নারী, নির্যাতন প্রতিরোধে কাজ করে
UNEP





জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি – United Nations Environment Programme১৯৭২নাইরোবি, কেনিয়াInger Andersen (ডেনমার্ক)জলবায়ু, পরিবেশ রক্ষা। বাংলাদেশের জলবায়ু তহবিল ও অভিযোজন প্রকল্পে সহায়তা
ILO




আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা – International Labour Organization১৯১৯ (জাতিসংঘে ১৯৪৬)জেনেভাGilbert F. Houngbo (টোগো)শ্রম অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ। গার্মেন্টস সেক্টরে নিরাপত্তা (রানা প্লাজা পরবর্তী Accord) ILO-র তত্ত্বাবধানে

কোন মন্তব্য নেই

enot-poloskun থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.